বাংলাদেশে মতপ্রকাশের কারণে গ্রেপ্তার, সহিংসতা, হেনস্তার মতো ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা নয়টি আন্তর্জাতিক সংগঠন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো।
অনুমোদিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়ায় আগের বিতর্কিত দুটি আইনের প্রতিফলন ঘটেছে বলে উল্লেখ করেছে টিআইবি। সংস্থাটি বলেছে, বাক্স্বাধীনতা–মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে এটি নিয়ন্ত্রণমূলক ও নজরদারির অধ্যাদেশে পরিণত হয়েছে।
গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণের প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করার পক্ষে শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের চেয়ে বেড়েছে বলে মনে করেন ৬০ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ। আর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সংবাদমাধ্যম আওয়ামী লীগ আমলের চেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে বলে মত দিয়েছেন ৬১ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ।
বাংলাদেশে ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধী মতের সবার জন্য ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠন পরিচালনার স্বাধীনতা’ সমুন্নত ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।